সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ইমরান খানের ভাগ্য কী ঘটছে?

ইমরান খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানে বহুল প্রত্যাশিত ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১১ টায় এই অধিবেশন শুরু হবে। তবে শুক্রবারের অধিবেশনেই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হবে কিনা তানিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, শুক্রবারের অধিবেশনের সূচিতে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপনের কথা রয়েছে। তবে এদিনই এই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা নাও হতে পারে।

বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এনএ) সচিবালয় শুক্রবারের অধিবেশনের যে ১৫টি কার্যতালিকা প্রকাশ করেছে তার মধ্যে অনাস্থা প্রস্তাবও রয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে আইনপ্রণেতা খায়াল জামানের মৃত্যুর কারণে অধিবেশনের প্রথম দিনে পার্লামেন্টের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে না।

অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে ডন জানিয়েছে, এনএ স্পিকার আগামী ৩০ বা ৩১ মার্চ পর্যন্ত অধিবেশন স্থগিত করতে পারেন। তবে তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, এনএ অধিবেশন স্থগিতের কোনও পরিকল্পনা নেই।

গত ৮ মার্চ পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলো অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি সচিবালয়ে পেশ করে। তাদের দাবি, সাবেক এই ক্রিকেটার পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। তার দলের ২০ জন আইনপ্রণেতা দল ত্যাগ করার পর বিরোধীরা এই প্রস্তাব আনে।

সংবিধান অনুযায়ী অনাস্থা প্রস্তাব আনার ১৪ দিনের মধ্যে স্পিকার অধিবেশন ডাকতে বাধ্য। তবে ২১ তারিখ সেই দিন পূর্ণ হলেও অধিবেশন ডাকা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই অধিবেশন। নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব অধিবেশনে উত্থাপনের পর অন্তত তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে ভোটাভুটি হওয়ার কথা।

তবে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অধিবেশন শুরুর আগে পার্লামেন্টারি বৈঠকে বসেনি ক্ষমতাসীন দল পিটিআই। সাধারণত অধিবেশনে দলের কৌশল নির্ধারণে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষমতাসীন দল বৈঠক না করলেও বিরোধী দলগুলো অধিবেশন শুরুর আগে পার্লামেন্টারি বৈঠক আহ্বান করেছে।

ডন জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের পার্লামেন্টারি বৈঠক না হওয়ায় দুইটি সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। একটি হলো সরকার সচেতন রয়েছে যে প্রথম দিনের অধিবেশন কয়েক মিনিটের বেশি স্থায়ী হবে না এবং এটি স্থগিত হয়ে যাবে। আরেকটি সম্ভাবনা হলো সরকারের মিত্র এবং ভিন্ন মতালম্বী পিটিআই আইনপ্রণেতা আলাদা করে পার্লামেন্টারি বৈঠক করায় ক্ষমতাসীন দল কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে চাইছে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION